শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৮ পূর্বাহ্ন
তামিম ইকবাল ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের শাই হোপের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের বিপক্ষে রানের পাহাড় গড়েছে খুলনা টাইগার্স।
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের নবম আসরের ৩২তম ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ২ উইকেটে ২১০ রান করেছে খুলনা। তামিম ৯৫ রানে আউট হলেও ৯১ রানে অপরাজিত থাকেন হোপ।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজ দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে টস জিতে প্রথমে বোলিং করার সিদ্বান্ত নেন কুমিল্লার অধিনায়ক ইমরুল কায়েস। ইয়াসির আলির পরিবর্তে খুলনার অধিনায়কত্বের দায়িত্ব পেয়েছেন হোপ।
ব্যাট হাতে নেমে ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই উইকেট হারায় খুলনা। কুমিল্লার পাকিস্তানী পেসার নাসিম শাহর বলে আউট হন ৫ রান করা ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়।
এরপর ক্রিজে তামিমের সঙ্গী হন হোপ। পাওয়ার-প্লেতে ৩৭ রান উঠলেও, পরবর্তীতে রানের গতি বাড়িয়েছেন দু’জনেই। তাদের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ১০ ওভার শেষে ৮৫ রান পায় খুলনা।
১১তম ওভারে ২৭ বলে হাফ-সেঞ্চুরির পূর্ণ করেন হোপ। ১২তম ওভারে খুলনার রান ১শতে পৌছে যায়। ১৫তম ওভারের দ্বিতীয় বলে ছক্কা মেরে এবারের আসরে দ্বিতীয় অর্ধশতকের দেখা ৪৫ রানে জীবন পাওয়া তামিম। এজন্য ৪৫ বল খেলেছেন তিনি। স্পিনার তানভীর ইসলামের করা ঐ ওভারে আরও ২টি ছয় ও ১টি চার মারেন তামিম। এতে ওভার থেকে ২৭ রান পায় খুলনা। ১৫ ওভার শেষে খুলনার রান গিয়ে দাঁড়ায় ১৫০এ।
১৯ ওভার শেষে নব্বইয়ের ঘরে পৌঁছে যান তামিম ও হোপ। তখন দলীয় রান ১৯৭। মোসাদ্দেক হোসেনের করা শেষ ওভারের প্রথম বলে আউট হলে ৬১ বল খেলে ১১টি চার ও ৪টি ছক্কায় ৯৫ রান করা তামিমের ইনিংসের ইতি ঘটে। দ্বিতীয় উইকেটে হোপের সাথে ১০৪ বলে ১৮৪ রান যোগ করেন তামিম। যা এবারের বিপিএলে যেকোন উইকেটে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের জুটি। আর বিপিএল ইতিহাসে জুটিতে যৌথভাবে চতুর্থ সর্বোচ্চ রান।
তামিম ফেরার পর উইকেটে এসেই ১টি করে চার-ছয় মারেন পাকিস্তানের আজম খান। শেষ তিন বলে আসে ৩ রান। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ২ উইকেটে ২১০ রান পায় খুলনা।
৫৫ বল খেলে ৯১ রানে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন হোপ। ৫টি চার ও ৭টি ছক্কা মারেন তিনি। ৪ বলে ১২ রান তুলে অপরাজিত থাকেন আজম। কুমিল্লার নাসিম-মোসাদ্দেক ১টি করে উইকেট নেন।